মিশরীয় মিথলজির কিছু স্বল্প পরিচিত দেব-দেবীঃ পর্ব ২

দেবতা বেস

Bes (কিংবা কখনো কখনো Bisu) ছিলেন প্রাচীন মিশরের ঘর-গেরস্থালীর নিরাপত্তার এবং সন্তান জন্মদানের দেবতা। এই দেবতা আকৃতিতে ছিলেন বামন, বিশাল ভুঁড়িবিশিষ্ট এবং বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই হাস্যোজ্জ্বল।

প্রাচীন মিশরের Nubian পুরাণে প্রথমে বেসকে সিংহের আকৃতিতে কল্পনা করা হয়েছিলো, যে সিংহটি তার পেছনের দু’পায়ে ভর দিয়ে দাঁড়িয়ে আছে। তখন তিনি ছিলেন যুদ্ধের দেবতা। পরে কালক্রমে সিংহের আকৃতির বদলে মিশরীয়রা তাকে ভাবতে থাকে একজন দানব হিসেবে, যিনি দেখতে দানব হলেও সর্বদা মানুষের মঙ্গল করে বেড়ান। তাকে মানুষ দৈনন্দিন গৃহস্থালি কাজকর্মের সাথে জড়িয়ে ফেলে। এক পর্যায়ে তিনি হয়ে যান ঘর-গেরস্থালী এবং সন্তান জন্মদানের দেবতা।

মিশরীয়রা বিশ্বাস করতো, নিজেদের ঘর ক্ষতিকর সব প্রাণী, বিভিন্ন দুর্ঘটনা এবং অশুভ শক্তির প্রভাব হতে একমাত্র দেবতা বেসই রক্ষা করতে পারেন। এই জন্যে তারা ঘরের দরজায় বেসের মূর্তি বা মুখোশ ঝুলিয়ে রাখতো। শুধু ঘরদোরের নিরাপত্তাই নয়, দৈনন্দিন সাংসারিক জীবনে সুখ-স্বাচ্ছন্দ্যের পেছনেও বেসের আশীর্বাদের মুখাপেক্ষী ছিলো তারা। ঘরদোরের অনেক আসবাবপত্রেই, বিশেষত খাটের কোণায় এবং আয়নার পাশে বেসের মূর্তি ঝুলিয়ে রাখতো তারা। বেসের নামে সরাসরি কোনো মন্দির কখনোই তৈরি করা হয়নি, কিন্তু ঘরে ঘরে দারুণ জনপ্রিয় ছিলেন দানবরূপী আর সবার মঙ্গলকারী এই দেবতা।

1

বেসকে সন্তান-সন্ততির রক্ষক হিসেবেও গণ্য করা হতো। যখন কোনো মা সন্তান জন্মদানকালীন জটিলতায় ভুগতেন, তখন তার মাথার নিকট বেসের মূর্তি রাখা হতো। সন্তান জন্মদানের পরে তার মাথার কাছেও বেসের মূর্তি রাখা হতো, যাতে কোনো অশুভ কিছু সেই সদ্যোজাত সন্তানকে স্পর্শ করতে না পারে। অর্থাৎ, অশুভ শক্তি হতেও নবজাতকদের নিরাপত্তা দিতেন বেস। মিশরীয়রা বিশ্বাস করতো, শিশুরা ঘুমের মাঝে নিজে নিজেই হাসে, এর কারণ হলো দেবতা বেস ঐ মুহূর্তে শিশুটার পাশে বসে খেলছেন এবং অদ্ভুত সব মুখভঙ্গি করে তাকে হাসাচ্ছেন।

দেবতা বেসের সঙ্গী হিসেবে পরবর্তী ক্লাসিক্যাল যুগে কল্পনা করা হতো দেবী তাওরাতকে (Tawret)। টলেমির সময়কাল পর্যন্তও দারুণ জনপ্রিয় ছিলেন এই বেস-তাওরাত দম্পতি। নিজেদের সংসারে সুখ ও সমৃদ্ধি আসবে, এই আশায় দেবদেবী দু’জনের ছবি খোদাই করা কবচ বয়ে বেড়াতো মিশরীয়রা।টলেমি পরবর্তী যুগে বেসের জন্যে সঙ্গী হিসেবে নতুন একজনকে কল্পনা করা শুরু হয়। তার নাম ছিলো ‘বেসেত (Beset)’। এই বেসেত মূলত বেস দেবতারই স্ত্রীরূপ, আলাদা কোনো দেবী নন। এই বেস এবং বেসেত হয়ে উঠেন তখন স্বামী-স্ত্রীর আনন্দময় যৌনমিলনের প্রতীক। এই ধারণাটা মিশরীয়দের ছাপিয়ে রোমানদের মাঝ পর্যন্ত ছড়ায়। তারাও বেস এবং বেসেতের দারুণ ভক্ত হয়ে উঠে। বংশবিস্তারের প্রতীক হিসেবে ভাবতে শুরু করে তাদের।

চিত্রকর্মে ও বিভিন্ন মূর্তিতে বেসকে দেখা যায় বিশাল ভুঁড়িবিশিষ্ট হাস্যোজ্জ্বল এক দাড়িওয়ালা বামন রূপে। বিশেষজ্ঞরা বলেন, প্রাচীন নুবিয়ান পুরাণে বেস দেবতার উল্লেখ থাকলেও তার আদি উৎস সম্ভবত মিশর নয়, বরং আফ্রিকার অন্য কোনো অঞ্চল। পরে সেখান থেকে বেস এসে ঠাঁই নিয়েছেন মিশরীয় পুরাণে। শেষ পর্যন্ত টলেমি পরবর্তী যুগে তার জনপ্রিয়তা মিশর ছাড়িয়ে পৌঁছেছিলো রোম সাম্রাজ্য পর্যন্ত।

দেবতা হেকা

Heka (কখনো কখনো ডাকা হয় Hike নামে) ছিলেন মিশরীয় পুরাণে ম্যাজিক এবং চিকিৎসার দেবতা। মিশরীয়দের কাছে চিকিৎসাবিদ্যা বলতে গেলে ম্যাজিকের মতোই ছিলো। চিকিৎসাবিদ্যাকে তারা ম্যাজিকের অনেকগুলো শাখার একটা বলে বিবেচনা করতো। এর কারণও খুব একটা দুর্বোধ্য কিছু নয়। “ভূতপ্রেত, অশরীরী এবং অশুভ সব শক্তির প্রভাবে মানুষ রোগে-শোকে ভুগে” – এই ধরণের ধারণায় বিশ্বাসীদের কাছে ঔষধ-পথ্য যা, ঝাড়ফুঁকও তাই। সবই ম্যাজিক! সেই হিসেবেই দু’টোকে একসাথে মিলিয়ে এগুলোর দেবতা হিসেবে প্রাচীন মিশরীয়রা কল্পনা করেছিলো হেকাকে। মিশরীয় ভাষায় “কা” শব্দের অর্থ হলো ‘ইন্দ্রজাল’ বা ম্যাজিক। আর “হেকা” শব্দের মানে হলো “যার মাধ্যমে ম্যাজিক কাজ করে”।

দেবতা আতুম (Atum) বিশ্বব্রহ্মাণ্ড সৃষ্টির সময়ে যে কয়টা শক্তি ব্যবহার করেছিলেন, তার একটা ছিলো কা বা ম্যাজিক। দেবতা আতুম বিশ্বব্রহ্মাণ্ড সৃষ্টির সময়ে অনুভব করেছিলেন, অন্যান্য আরো সব শক্তির সাথে আরেকটা বিশেষ ধরণের শক্তিরও প্রয়োজন পড়বে এই মহাজগত তৈরিতে। তখন তিনি নতুন ধরণের সেই শক্তি, যেটাকে আমরা বলি “ম্যাজিক”, তৈরি করে নিলেন নিজের প্রয়োজনে। আর এভাবেই আতুমের হাতে জন্ম হলো দেবতা হেকার। কোনো কোনো পুরাণে আবার বর্ণিত আছে আতুমের হাতে জন্ম হয়নি হেকার। বরং তার জন্ম হয়েছিলো দেবতা খেনমু (ভেড়ার মাথাবিশিষ্ট, উর্বরতার দেবতা) এবং দেবী মেনহেতের (মতান্তরে সেখমেত, যুদ্ধের দেবী) মিলনের ফলে। খেনমু এবং মেনহেতের বড় সন্তান হচ্ছেন হেকা।

2

মিশরীয় পুরুষদের রীতি ছিলো তারা ছোট বয়সে তাদের মাথার চুল আশেপাশে পুরোটা কামিয়ে ফেলবে। শুধু মাথার মাঝখানে একটু চুল রাখবে, যেটাকে তারা বেণীর মতো করে বেঁধে রাখবে। দেবতাদের আশীর্বাদ পাবার জন্যেই তারা এই কাজটা করতো। পরে তাদের বয়স চৌদ্দ বছর পার হবার সাথে সাথেই তারা চুলের এই স্টাইল পালটে নিজের পছন্দমতো কোনো স্টাইল বেছে নিতো। এটাকে বলা হয় “Sidelock of Youth”. আমাদের আজকের আলোচ্য দেবতা হেকাকে এখন পর্যন্ত সব চিত্রকর্মে এবং বিভিন্ন মূর্তিতে এই রূপেই পাওয়া গেছে। তাতে ধারণা করা হয়, হেকাকে মিশরীয়রা সবসময়ই একজন ছোট বালক হিসেবে দেখে আসতো।

দেবতা হেকার নামে সরাসরি কোনো উপাসনালয় কখনোই ছিলো না। কিন্তু ঘরে ঘরে তার নাম উচ্চারিত হতো। যেসব পুরোহিত হেকার অনুসারী হতে চাইতো, তাদের জন্যে চিকিৎসা শাস্ত্র অধ্যয়ন ছিলো বাধ্যতামূলক। এই কারণে দেখা যেতো হেকার অনুসারী পুরোহিতরা অন্যান্য পুরোহিতদের চেয়ে অতি উচ্চমাত্রায় শিক্ষিত। সাড়ে তিন হাজার বছর পূর্বের কোনো মিশরীয় পুরোহিতের দেবতা হেকার অনুসারী হবার ইচ্ছা প্রকাশ করা আর বর্তমানে কারো এমআইটি-তে গিয়ে পিএইচডি করার ইচ্ছা প্রকাশ করাকে মোটামুটি একই জিনিস হিসেবে বিবেচনা করতে পারেন সবাই। প্রাচীন মিশরে সব দেবতার উপাসকরাই টুকটাক ম্যাজিক দেখিয়ে জনগণকে বশে রাখতো। এই সমস্ত ম্যাজিশিয়ান পুরোহিতদের মধ্যে হেকার অনুসারী পুরোহিতরা ছিলো অতি সম্মানিত। কারণ তারা লিখতে-পড়তে জানতো। তাদের আবিষ্কৃত সমস্ত চিকিৎসা সংক্রান্ত পথ্য ও ম্যাজিকের ব্যাপারগুলো তারা প্যাপিরাসে লিখে সংরক্ষণ করতে পারতো। ফারাওদের দরবারে হেকার অনুসারীরা সর্বোচ্চ সম্মান পেতো। ফারাওদের বংশের সবার চিকিৎসার জন্যে অতি উচ্চ পর্যায়ের হেকার অনুসারীরা নিয়োজিত ছিলো সবসময়।

হেকার জন্যে সরাসরি কোনো উপাসনালয় না থাকলেও বিভিন্ন চিকিৎসালয়ে তার নামে বিশেষ প্রতীক ঝুলানো হতো (দ্বিতীয় ছবিতে দ্রষ্টব্য)। মিথ অনুযায়ী হেকা একবার ভয়ংকর দুই বিষধর সাপের সাথে লড়ে তাদের পরাজিত করেছিলেন। বিভিন্ন ছবিতে এবং মূর্তিতে দেখা যায়, তিনি সেই সাপ দু’টোকে ক্রস আকারে রাজদণ্ডের মতো করে ধরে আছেন। হেকার প্রতীকে এই ব্যাপারটাই তুলে ধরা হয়। একজোড়া উপরে উঁচিয়ে ধরা হাতের মাঝখানে সেই সাপ দুটোকে প্যাঁচানো অবস্থায় দেখানো হয় হেকার প্রতীকে। এই একজোড়া উঁচানো হাত দিয়ে মিশরীয় শব্দ “কা” বা ম্যাজিককে বুঝানো হয়। সাড়ে তিন হাজার বছর পূর্বে মিশরের সব হাসপাতালে এই প্রতীকটাই ব্যবহৃত হতো রোগের চিকিৎসায় দেবতা হেকার করুণা লাভের আশায়।

3

দেবী সাতেত

Satet (কখনো কখনো Satit বা Satis নামেও ডাকা হয়) ছিলেন মিশরীয় পুরাণে নীল নদের প্লাবনের দেবী। প্রতি বছর দেবী সাতেতই নীল নদে বন্যা আনেন এবং মিশরের জমি উর্বর করেন বলে বিশ্বাস ছিলো। বর্তমান মিশরের আসওয়ান নামক অঞ্চলের মানুষদের লিখিত পুঁথিতে প্রথম এই দেবীর নামের উল্লেখ পাওয়া যায়। শুরুতে তাকে দেখা হতো যুদ্ধ এবং শিকারের দেবী হিসেবে। তিনি তার হাতের তীর-ধনুক দিয়ে ফারাওদের রক্ষা করতেন এবং যুদ্ধের ময়দানে শত্রুদের বিনাশ করতেন বলে ধারণা ছিলো। পরে এক পর্যায়ে নীল নদে প্লাবন এবং মিশরের কৃষিভূমির উর্বরতার জন্যে তার উপাসনা করতে শুরু করে মিশরীয়রা। ‘Sat’ শব্দের মানে হলো “ছোঁড়া, নিক্ষেপ করা, কারো বা কোনো কিছুর উদ্দেশ্যে জল ছুঁড়ে দেয়া” ইত্যাদি।

শুরুর দিকে তাকে মাথায় হরিণের শিংয়ের মুকুট পরতে দেখা যেতো। হাতে ছিলো তার তীর-ধনুক। পরে কালের আবর্তনে মাথায় হরিণের শিংয়ের সাথে যোগ হয় চোঙাকৃতির মুকুট। তীর-ধনুকের পাশাপাশি তাকে তখন কলসি কাঁখেও দেখা যায় বিভিন্ন চিত্রকর্মে এবং ফারাওদের সমাধিস্থলে স্থাপিত বিভিন্ন মূর্তিতে।

5

সাতেতকে আরেক দেবী ‘আনুকেত (Anuket)’ – এর জননী হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। আনুকেত ছিলেন স্বয়ং নীল নদের দেবী। এই নীল নদে প্লাবন আনতেন সাতেত। কোনো কোনো পুরাণে আবার সাতেত এবং আনুকেত দুইজনকেই ‘রা’-এর কন্যা হিসেবে বিবেচনা করা হয়। সাতেতের সঙ্গী হিসেবে কল্পনা করা হয় দেবতা ‘খেনমু’-কে, যিনি নিজেও উর্বরতার প্রতীক। এই সাতেত, আনুকেত এবং খেনমু মিলেই মিশরের “আবু (Elephantine)” গোত্রের জন্ম দিয়েছিলেন বলে মিশরীয়রা বিশ্বাস করতো।

দেবী সাতেত মৃত্যুর পরে মানুষের লাশ নীল নদের জলে ধুইয়ে তাদের পাতালপুরীতে প্রবেশ করতে সাহায্য করতেন বলেও বিশ্বাস ছিলো। কিন্তু সাতেতের সবচেয়ে বড় ভূমিকা ছিলো নীল নদের জলে প্লাবন আনার ক্ষেত্রে। পুরাণে বর্ণিত আছে, দেবী আইসিস এবং দেবতা ওসাইরিস (যারা কিনা আবার ভাইবোন) বিয়ের পরে পৃথিবী শাসন করতে বসেন। কিন্তু তাদের আরেক ভাই সেত (Set) হিংসায় জ্বলে পুড়ে মরেন। হিংসার বশবর্তী হয়ে সেত ওসাইরিসকে হত্যা করেন। হত্যা করে ওসাইরিসের শরীরের টুকরোগুলোকে মিশরের অন্তত ১৪টা স্থানে ছড়িয়ে দেন, যাতে আর সেগুলো খুঁজে না পাওয়া যায়। ব্যবিলনীয় পুরাণে বর্ণিত আছে, আইসিস পরে তার ভাই, প্রেমিক এবং স্বামী ওসাইরিসের শরীরের সবগুলো অংশ খুঁজে পেয়েছিলেন। সেগুলো আবার জোড়া লাগিয়ে পুনরুজ্জীবিত করেছিলেন ওসাইরিসকে। কিন্তু মিশরীয় পুরাণে এই ধরণের কিছু বলা নেই। বরং বলা আছে, দেবী আইসিস শোকে ভীষণ কাতর হয়ে পড়েছিলেন। তার গর্ভে জন্ম নেয় দেবতা ‘হোরাস’, যে পরে তার এই পিতৃহত্যার শোধ নেয়। কিন্তু দেবী আইসিস আর স্বাভাবিক হতে পারেননি কখনো। প্রতিবছর ওসাইরিসের হত্যার দিনে তিনি রাতভর চোখ হতে অশ্রু ঝরাতেন। আমাদের আজকের আলোচ্য দেবী সাতেত সেই অশ্রু নিয়ে সংরক্ষণ করতেন নীল নদে। আইসিসের চোখের জলে প্লাবন আসতো নীল নদে। উর্বর হয়ে উঠতো মিশরের কৃষিভূমি। এই দিনটাকে মিশরীয়রা উৎসবের দিন হিসেবে পালন করে থাকে। ইংরেজিতে দিনটাকে “Night Of the Teardrop” বলে অভিহিত করা হয়।

প্রতি বছর নীল নদের প্লাবনের আগে আগে আকাশের একটা বিশেষ অংশে ‘সেপ্ত (Sept, সিরিয়াস এ, ‘ডগ স্টার’ নামেও পরিচিত)’ নক্ষত্রকে দেখা যায়। সেটাকেই মিশরীয় কৃষকরা দেবী সাতেত-এর আবির্ভাবের লক্ষণ হিসেবে ধরে নেয়। বুঝে নেয় কলসি কাঁখে দেবী সাতেত এসে উপস্থিত হয়েছেন আইসিসের অশ্রু ঝরানোর রাতে সমস্ত জল লুফে নিয়ে পরে সেগুলো নীল নদে ঢেলে দেয়ার জন্যে। তখন ঘরে ঘরে শুরু হয়ে যায় উৎসবের প্রস্তুতি। নতুন ফসল ফলানোর প্রস্তুতি।

লিখেছেনঃ রিজওয়ানুর রহমান প্রিন্স

তথ্য সংগ্রহেঃ

বেস এর তথ্যসূত্রঃ

১। https://en.wikipedia.org/wiki/Bes

২। http://egyptianmythology.org/gods-and-goddesses/bes/

৩। http://www.ancientegyptonline.co.uk/bes.html

হেকার তথ্যসূত্রঃ

১। http://www.landofpyramids.org/heka.htm

২। http://www.ancientegyptonline.co.uk/heka.html

৩। http://www.touregypt.net/godsofegypt/hike.htm

সাতেত এর তথ্যসূত্রঃ

১। http://www.touregypt.net/featurestories/satet.html

২। https://en.wikipedia.org/wiki/Satet

৩। http://www.ancientegyptonline.co.uk/satet.html

Advertisements

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s